
পৃথিবীর শেষ দিন বা কিয়ামতে বিশ্বাস আমাদের ঈমানের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে পবিত্র কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত লক্ষণগুলোর অধিকাংশই আজ পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমাদের এ সীমিত জীবনকালের তুলনায় ১৪০০ বছর অনেক দীর্ঘ। কিন্তু আল্লাহর হিসেবে এ সময় অতি তুচ্ছ। আজ শেষ সময়ের অনেক লক্ষণ পরিলক্ষিত হলেও শেষ সময় ততক্ষণ আসবে না, যতক্ষণ না কিয়ামতের সমস্ত লক্ষণগুলো বাস্তবায়িত হয়। পবিত্র হাদীসে উল্লেখ আছে, “কিয়ামতের লক্ষণগুলো একটার পর একটা সেভাবে দেখা যাবে ঠিক যেভাবে মালা ছিঁড়ে গেলে মালার দানাগুলো একটার পর একটা পড়তে থাকে”- (তিরমিযী)। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগের বর্ণিত লক্ষণগুলোর অনেকগুলো অতীতে ঘটে গেছে, বর্তমানে অনেকগুলো ঘটছে এবং বাকীগুলো অদূর ভবিষ্যতে ঘটবে। কিন্তু পার্থিব জীবনের লাভ-ক্ষতির হিসেব করতে গিয়ে আমরা এত ব্যস্ত যে, আমরা কখনো চিন্তা করি না এ লক্ষণগুলো নিয়ে। এমনকি আমাদের ভিতরে অনেকে কিয়ামতের কথা বিশ্বাস পর্যন্ত করে না। আল্লাহ বলেছেন-
“তারা শেষ সময়কে অস্বীকার করে এবং যারা এ দিনকে অস্বীকার করে আমি তাদের জন্য জ্বলন্ত অগ্নিশিখা তৈরি করে রেখেছি।”-সূরা আল ফুরকান: ১১
এ বই লেখার প্রধান উদ্দেশ্য হলো পবিত্র কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত কিয়ামতের লক্ষণগুলোর সাথে অতীত ও বর্তমানের ঘটনাবলীকে তুলনা করা এবং নিজেদের বিশ্বাসকে দৃঢ় করা ও মৃত্যুর জন্য নিজেদের প্রস্তুত করা। বইটি লিখতে আমি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন তথ্যের ও আলোকচিত্রের সাহায্য নিয়েছি। আমি শ্রদ্ধার সাথে তাঁদের এ সাহায্যের কথা স্বরণ করছি। তুরস্কের ইসলামিক লেখক হারুন ইয়াহিয়ার শেষ সময় ও ইমাম মেহেদি আ. বইটি থেকে আমি অনেক কিছু জ্ঞান লাভ করেছি। তাছাড়া “বেহেশতী জেওর” বইটি থেকেও আমি অনেক সহায়তা পেয়েছি। কিয়ামতের লক্ষণগুলো যে আমাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে সত্যে প্রমাণিত হচ্ছে তা মাতৃভাষা বাংলায় লিখে সবাইকে জানানোই এ বই লেখার উদ্দেশ্য। আল্লাহ আমাদের বিশ্বাস দৃঢ় করেন এবং মৃত্যুর জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার শক্তি দেন এ কামনা করি।
Buy Now
Read Now
সন্তান, সে তো আসমান থেকে পাওয়া। সন্তান, সে তো স্বর্গ থেকে আসা। সন্তান, সে তো স্বপ্ন দিয়ে বোনা সোনা-রঙা সোনালি ফসল। সন্তান পৃথিবীর সবচেয়ে সুখের সম্পদ। সন্তান চোখের শীতলতা, অন্তরের কোমল উষ্ণতা, হৃদয়ের গহীনে সযত্নে চাষ-করা এক টুকরো মুক্তো। সন্তান...
রাসুল (সাঃ) এর সময় থেকেই অনেক মানুষ কুরআনকে আল্লাহর বাণী হিসেবে গ্রহণ করেন না। তাঁরা মনে করেন কুরআন রাসুল (সাঃ) এর রচিত গ্রন্থ। অথচ কুরআনের মধ্যেই প্রমাণ রয়েছে যে, এমন গ্রন্থ রচনা করা মানব বা জ্বিন কারো পক্ষেই ব্যক্তিগত কিংবা...
অনুবাদক : শাফায়েত উল্লাহ, শারঈ নিরীক্ষণ : মাওলানা আব্দুল্লাহ আল হাসানদ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নবী ﷺ-কে কী পরিমাণ কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল, তা আমাদের সবারই জানা আছে। তাঁর ওপর অপবাদ দেওয়া হয়েছিল, আঘাত করা হয়েছিল তাঁর সম্মানে। তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী,...
Comments (0)